লিখেছেন: স্টুডিও ডিজাইনোফ্লাই টিম | ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
বাংলাদেশের ডিজিটাল ল্যান্ডস্কেপে আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। এতদিন যারা একটি দেশীয় ডোমেইন বা আইডেন্টিটি খুঁজছিলেন কিন্তু জটিল পেপারওয়ার্ক বা ট্রেড লাইসেন্সের ঝামেলায় পিছিয়ে আসছিলেন, তাদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো।
আজ ১৯ জানুয়ারি ২০২৬। আজ থেকে শুরু হলো বাংলাদেশে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশনের সবচেয়ে সহজ, দ্রুত এবং ঝামেলাহীন যুগ। বিটিসিএল (BTCL)-এর নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আজ থেকে যে কেউ—হোক সে সাধারণ শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কিংবা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা—সরাসরি রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন কাঙ্ক্ষিত .bd ডোমেইন।
এই ব্লগ পোস্টে আমরা পেশাদার ও তথ্যভিত্তিকভাবে আলোচনা করবো:
- .bd ডোমেইন আসলে কী?
- এখন কে নিতে পারবে, কীভাবে নিতে পারবে?
- ব্যবসা, ফ্রিল্যান্সিং, ব্র্যান্ডিং – কোথায় কীভাবে ব্যবহার করবেন?
- SEO, NID, ডকুমেন্ট – কোন ভুলে ডোমেইন বাতিল হতে পারে?
- .com.bd নাকি .bd – কোনটা আপনার জন্য সঠিক?
- আর এখনই আপনার কী করণীয়?
গতকাল ১৮ জানুয়ারি ২০২৬-এ শেষ হয়েছে ‘সানরাইজ পিরিয়ড’ (Sunrise Period)। আর আজ থেকে শুরু হলো ‘জেনারেল অ্যাভেইলিবিলিটি’ বা সবার জন্য উন্মুক্ত পর্ব। এখন আর কোনো আগাম অনুমতি বা বিশেষ কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই। আপনার ব্র্যান্ডকে গ্লোবাল এবং লোকাল অডিয়েন্সের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে এটাই সঠিক সময়।
আজকের এই বিস্তারিত ব্লগে আমরা জানব .bd ডোমেইন কী, কারা নিতে পারবেন, এসইও (SEO)-তে এর প্রভাব, রেজিস্ট্রেশনের নিয়মাবলী এবং সাধারণ মানুষের কিছু বিভ্রান্তির সঠিক সমাধান।
১. .bd ডোমেইন কী এবং কেন এটি বিশেষ?
ইন্টারনেটের জগতে একটি ডোমেইন নেম হলো আপনার ডিজিটাল ঠিকানা। এতদিন আমরা বাংলাদেশের আইডেন্টিটি হিসেবে মূলত .com.bd এক্সটেনশনটি দেখে এসেছি। কিন্তু .com.bd নেওয়াটা সাধারণ মানুষের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য ছিল, কারণ এর জন্য ট্রেড লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক কাগজপত্রের বাধ্যবাধকতা ছিল।
দ্বিতীয় স্তরের এই ডোমেইন .bd (যেমন: example.bd) হলো অনেক বেশি আধুনিক, ছোট এবং মনে রাখা সহজ। বিশ্বের অন্যান্য দেশ যেমন ভারতের .in বা যুক্তরাজ্যের .uk-এর মতো বাংলাদেশও এখন নিজের শর্ট কান্ট্রি কোড টপ লেভেল ডোমেইন (ccTLD) সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করল।
কেন আজই রেজিস্ট্রেশন করবেন?
ডোমেইন ইন্ডাস্ট্রিতে একটি কথা প্রচলিত আছে— “First Come, First Served” অর্থাৎ আগে আসলে আগে পাবেন। আজ যেহেতু এটি সবার জন্য উন্মুক্ত হয়েছে, তাই আপনার পছন্দের নামটি (যেমন আপনার নিজের নাম বা ব্যবসার নাম) অন্য কেউ নিয়ে নেওয়ার আগেই আপনার বুকিং করা উচিত।
২. .bd ডোমেইন কারা নিতে পারবেন? যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
সবচেয়ে বড় সুখবর হলো, এই ডোমেইন নেওয়ার প্রক্রিয়াকে অবিশ্বাস্য রকমের সহজ করা হয়েছে। আগে যেখানে পেপারওয়ার্কের স্তূপ জমা দিতে হতো, এখন সেখানে মাত্র একটি ডকুমেন্টই যথেষ্ট।
যোগ্যতা:
- যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক এই ডোমেইন নিতে পারবেন।
- ব্যক্তি, ফ্রিল্যান্সার, ব্লগার, ইউটিউবার, ইনফ্লুয়েন্সার, স্টার্টআপ ফাউন্ডার—সবার জন্য এটি উন্মুক্ত।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
- শুধুমাত্র একটি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র (NID Card) থাকলেই চলবে।
- কোনো প্রকার ট্রেড লাইসেন্স লাগবে না।
- কোনো টিআইএন (TIN) বা ভ্যাট পেপারের প্রয়োজন নেই।
এটি বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার এবং ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং নিয়ে কাজ করা মানুষদের জন্য একটি বিশাল সুযোগ। যারা এতদিন .com বা .xyz ডোমেইনে নিজের পোর্টফোলিও বানাতেন, তারা এখন গর্বের সাথে .bd ব্যবহার করতে পারবেন।
৩. ব্যবসার জন্য কি .bd ব্যবহার করা যাবে?
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, যেহেতু ট্রেড লাইসেন্স লাগছে না, তাহলে কি এটি ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করা যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, ১০০% যাবে।
আপনার যদি ইকমার্স ওয়েবসাইট, সার্ভিস বিজনেস, স্টার্টআপ বা কোনো নির্দিষ্ট প্রোজেক্ট থাকে, তবে আপনি নিশ্চিন্তে .bd ব্যবহার করতে পারেন।
ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- ই-কমার্স: যেমন
fashionshop.bd - সার্ভিস: যেমন
cleaning.bdবাdesign.bd - পার্সোনাল ব্র্যান্ড: যেমন
ajay.bd - কর্পোরেট: বড় কোম্পানিগুলোও তাদের ব্র্যান্ড সুরক্ষার জন্য
.com.bdএর পাশাপাশি.bdনিয়ে রাখছে।
৪. এসইও (SEO) এবং .bd ডোমেইন: মিথ বনাম বাস্তবতা
আমাদের কাছে ক্লায়েন্টরা প্রায়ই জানতে চান, “.bd ডোমেইন নিলে কি গুগল র্যাংকিংয়ে কোনো সমস্যা হবে?” বা “ইন্টারন্যাশনাল ক্লায়েন্ট পেতে কি সমস্যা হবে?”
চলুন বিষয়টি পরিষ্কার করা যাক।
এসইও-তে কোনো নেগেটিভ প্রভাব নেই:
গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন (Bing, Yahoo) .bd ডোমেইনকে কোনোভাবেই নেগেটিভ হিসেবে দেখে না। বরং লোকাল এসইও (Local SEO)-এর ক্ষেত্রে এটি আপনাকে বাড়তি সুবিধা দেবে।
লোকাল এসইও অ্যাডভান্টেজ:
যখন আপনি .bd ব্যবহার করেন, তখন আপনি সার্চ ইঞ্জিনকে সিগন্যাল দিচ্ছেন যে আপনার ওয়েবসাইটটি মূলত বাংলাদেশের অডিয়েন্সের জন্য বা এই রিজিয়নের সাথে সম্পর্কিত। ফলে বাংলাদেশ থেকে কেউ যখন আপনার সার্ভিস রিলেটেড কিছু সার্চ করবে, গুগল আপনাকে প্রায়োরিটি দিতে পারে।
গ্লোবাল এসইও:
গ্লোবাল র্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে ডোমেইন এক্সটেনশনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্ট কোয়ালিটি, লোডিং স্পিড এবং ইউজার এক্সপেরিয়েন্স (UX)। আপনার সাইট যদি ভালো হয়, তবে .bd ডোমেইন নিয়ে আপনি আমেরিকাতেও র্যাংক করতে পারবেন।
সহজ কথা: এসইও নির্ভর করে কনটেন্ট এবং অপটিমাইজেশনের ওপর, ডোমেইন এক্সটেনশনের ওপর নয়। তাই নিশ্চিন্তে .bd নিতে পারেন।
৫. রেজিস্ট্রেশনের নিয়মাবলী ও সতর্কতা (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ)

.bd ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করার সময় মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুল করে তথ্যের গরমিল নিয়ে। বিটিসিএল এই বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর। একটি ছোট ভুলের কারণে আপনার শখের ডোমেইনটি বাতিল হতে পারে এবং আপনি রিফান্ডও পাবেন না।
ডোমেইন নেম বনাম এনআইডি (NID) নেম কনফিউশন
অনেকে ভাবেন, এনআইডি কার্ডে যে নাম আছে, ডোমেইন নেমও হুবহু সেটাই হতে হবে। এটি ভুল ধারণা।
সঠিক নিয়মটি হলো:
১. ডোমেইন নেম: আপনি আপনার পছন্দমতো যেকোনো নাম নিতে পারেন (যদি সেটি খালি থাকে)। যেমন: আপনার নাম ‘করিম হোসেন’, কিন্তু আপনি banglatech.bd বা coolgadgets.bd নিতে চান—এতে কোনো সমস্যা নেই।
২. রেজিস্ট্রান্ট বা আবেদনকারীর নাম: ডোমেইনটি যার মালিকানায় থাকবে, তার নাম এবং তার এনআইডি কার্ডের নাম হুবহু এক হতে হবে।
উদাহরণ দিয়ে বুঝুন:
ধরি, আপনার এনআইডি কার্ডে নাম আছে: Md. Rakibul Islam
আপনি ডোমেইন কিনতে চাচ্ছেন: creativehub.bd
- সঠিক পদ্ধতি: ডোমেইন নেম দিন
creativehub.bd। কিন্তু চেকআউট পেজে বা রেজিস্ট্রেশনের ফর্মে ‘Customer Name’ বা ‘Registrant Name’-এর ঘরে অবশ্যই Md. Rakibul Islam লিখতে হবে। - ভুল পদ্ধতি: আপনি ডোমেইন নিচ্ছেন আপনার নামে, কিন্তু রেজিস্ট্রেশনের সময় নাম দিলেন আপনার ছোট ভাইয়ের বা ডাকনাম ব্যবহার করলেন—এক্ষেত্রে ডোমেইন বাতিল হবে।
তথ্যের সূক্ষ্মতা
ডোমেইন অর্ডার করার সময় নিচের বিষয়গুলো এনআইডি (NID) অনুযায়ী হতে হবে:
- নামের ইংরেজি বানান (Spelling)।
- নামের মাঝখানের স্পেস।
- অক্ষরের অর্ডার।
- ডাকনাম বা শর্ট ফর্ম (যেমন: Rakib Islam এর বদলে শুধু Rakib) ব্যবহার করা যাবে না।
সতর্কতা: ভুল তথ্য দিলে ডোমেইন বাতিল হয়ে যায় এবং সাধারণত টাকা ফেরত পাওয়া যায় না। তাই সাবমিট করার আগে বারবার চেক করে নিন।
৬. মেয়াদ ও মূল্য নির্ধারণ
মেয়াদ:
- সর্বনিম্ন ১ বছরের জন্য রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।
- সর্বোচ্চ সাধারণত ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত একবারে রেজিস্ট্রেশন বা রিনিউ করা যায়।
মূল্য:
বর্তমানে বিভিন্ন প্রোভাইডার অফার প্রাইস দিচ্ছে। তবে সাধারণত ১ বছরের স্ট্যান্ডার্ড রেট প্রযোজ্য হয়। .bd ডোমেইন প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির হওয়ায় এর দাম সাধারণ .com ডোমেইনের আশেপাশেই বা সামান্য কম-বেশি হতে পারে।
সময়কাল:
- বিটিসিএল (সরাসরি): বিটিসিএল-এর ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি নিলে ভেরিফিকেশন প্রসেসের জন্য ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
- অনুমোদিত রিসেলার: আপনি যদি অনুমোদিত রিসেলারদের মাধ্যমে নেন, তবে অনেক ক্ষেত্রেই এটি ইনস্ট্যান্ট (Instant) বা খুব দ্রুত একটিভ হয়ে যায়। কারণ রিসেলারদের সিস্টেমে এপিআই ইন্টিগ্রেশন থাকে।
৭. কোথা থেকে কিনবেন .bd ডোমেইন?
সবচেয়ে সহজ, নিরাপদ এবং দ্রুত উপায় হলো বিটিসিএল (BTCL) অনুমোদিত প্রাইভেট রিসেলার বা পার্টনারদের ব্যবহার করা। এদের সাপোর্ট সিস্টেম ভালো এবং পেমেন্ট প্রসেস (বিকাশ, নগদ, রকেট) অনেক সহজ।
জনপ্রিয় কিছু রিসেলার ও পার্টনার:
আপনার সুবিধার জন্য কিছু বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের নাম নিচে দেওয়া হলো যারা .bd ডোমেইন প্রোভাইড করছে:
- Namely Services
- Limda Host
- Getyourbd
- Alpha Net
- EyHost Ltd.
- cornQ
- Hostever
- Ebn Host Limited
- HostSeba
- DianaHost
রিসেলার থেকে নেওয়ার সুবিধা:
- লোকাল সাপোর্ট পাওয়া যায় (ফোন বা লাইভ চ্যাট)।
- ডোমেইন এবং হোস্টিং একসাথে সেটআপ করার সুবিধা।
- NID ভেরিফিকেশনে তারা আপনাকে গাইড করতে পারে।
- দ্রুত অ্যাক্টিভেশন।
৮. .bd নাকি .com.bd — কোনটি আপনার জন্য সঠিক?
অনেকে গুলিয়ে ফেলেন যে .bd আর .com.bd বোধহয় একই, অথবা একটি আরেকটির বিকল্প। বিষয়টি তা নয়। দুটোর উদ্দেশ্য এবং টার্গেট অডিয়েন্স কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
.com.bd (ট্র্যাডিশনাল চয়েস)
- ব্যবহারকারী: মূলত বড় কোম্পানি, ব্যাংক, কর্পোরেট অফিস বা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা।
- প্রয়োজনীয়তা: ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামূলক।
- ইমেজ: এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক বা কর্পোরেট গাম্ভীর্য বহন করে।
.bd (মডার্ন চয়েস)
- ব্যবহারকারী: ব্যক্তি, স্টার্টআপ, ছোট ব্যবসা, ব্লগার, ডেভেলপার।
- প্রয়োজনীয়তা: শুধু এনআইডি কার্ড।
- ইমেজ: এটি আধুনিক, ছোট (Shorter URL), স্মার্ট এবং মনে রাখা সহজ।
সিদ্ধান্ত: আপনি যদি একজন ব্যক্তি হন বা নতুন ব্যবসা শুরু করেন এবং ট্রেড লাইসেন্সের ঝামেলায় যেতে না চান, তবে .bd আপনার জন্য সেরা। আর যদি আপনার ট্রেড লাইসেন্স থাকে এবং আপনি একটি কর্পোরেট লুক চান, তবে .com.bd নিতে পারেন। তবে ব্র্যান্ড সেফটির জন্য বড় কোম্পানিগুলোর উচিত দুটোই নিয়ে রাখা।
৯. এখনই আপনার করণীয় কী?
আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা ডোমেইন মার্কেটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাজার হাজার মানুষ তাদের পছন্দের নামগুলো বুক করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। আপনি যদি দেরি করেন, তবে আপনার ব্যবসার নাম বা আপনার নিজের নামের ডোমেইনটি অন্য কেউ কিনে নিতে পারে।
অ্যাকশন প্ল্যান:
১. লিস্ট তৈরি করুন: আপনার পছন্দের ৩-৪টি নামের একটি তালিকা করুন। কারণ প্রথম পছন্দটি খালি নাও থাকতে পারে।
২. এনআইডি প্রস্তুত রাখুন: আপনার এনআইডি কার্ডের ছবি বা তথ্য হাতের কাছে রাখুন।
৩. প্রোভাইডার সিলেক্ট করুন: উপরে উল্লিখিত যেকোনো একটি রিসেলারের ওয়েবসাইটে যান।
৪. সার্চ করুন: ডোমেইনটি ‘Available’ দেখাচ্ছে কি না চেক করুন।
৫. অর্ডার করুন: দেরি না করে অর্ডার প্লেস করুন। মনে রাখবেন, কার্টে অ্যাড করে রাখলে ডোমেইন বুক হয় না, পেমেন্ট কমপ্লিট করলেই কেবল বুকিং কনফার্ম হয়।
উপসংহার: আপনার ব্র্যান্ড, আপনার ভবিষ্যৎ
ডোমেইন শুধু একটি ওয়েব এড্রেস নয়, এটি আপনার ডিজিটাল পরিচয়। .bd ডোমেইন উন্মুক্ত হওয়া বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য একটি স্বাধীনতার মতো। এটি আপনার ব্র্যান্ডকে একটি দেশীয় অথচ গ্লোবাল রূপ দেবে।
আপনার নাম, আপনার আইডিয়া, কিংবা আপনার ব্যবসার নাম—আজই নিরাপদ করুন। কারণ একবার হাতছাড়া হয়ে গেলে, পছন্দের ডোমেইন ফিরে পাওয়া প্রায় অসম্ভব।
আপনি কি প্রস্তুত আপনার .bd ডোমেইনটি লুফে নিতে?
যেকোনো টেকনিক্যাল সহায়তা বা আপনার ওয়েবসাইটের প্রফেশনাল ডিজাইনের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন DesignoFly-এর সাথে। আমরা আপনার ডিজিটাল যাত্রার বিশ্বস্ত সঙ্গী।
Visit us at: studio.designofly.com/updates
